Pages

Translate

Tuesday, November 16, 2021

যে পাঁচ খাবারে রয়েছে শক্তিশালী ইমিউনিটির রহস্য

যে পাঁচ খাবারে রয়েছে শক্তিশালী ইমিউনিটির রহস্য

যে পাঁচ খাবারে রয়েছে শক্তিশালী ইমিউনিটির রহস্য

ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অনেকের সিজনাল সর্দি-কাশি ও জ্বরের প্রকোপ দেখা দেয়। তাই এ সময়ে শরীরের প্রতি একটু বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। মশাবাহিত রোগ আটকাতে যেমন জল বা ময়লা না জমানো গুরুত্বপূর্ণ তেমনই প্রাত্যহিক জীবনে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন আনা দরকার।

প্রতিদিনের খাবারে এই খাবারগুলো রাখলে ভাইরাসের বিরুদ্ধে সহজেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সেগুলো হলো-

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ টকজাতীয় ফল: ভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ টকজাতীয় ফল ডায়েটে রাখা আবশ্যিক। রক্তে শ্বেতকণিকার পরিমাণ বাড়িয়ে অনাক্রম্যতা বাড়ায় ভিটামিন সি। প্রতিদিন অন্তত একটি করে টকজাতীয় ফল খেলে ভাল। যেমন কমলালেবু, মুসাম্বি, নাসপাতি। এই ফলগুলোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও থাকে।

টকদই: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে টকদইয়ের জুড়ি মেলা ভার। শুধু তাই নয়, নিয়মিত টকদই খেলে ভালো ঘুম ও হজমশক্তিও বৃদ্ধি পায়।

হলুদ: হলুদের ওষধিগুণ অনেক। শুধু তাই নয়, এটি খুব সহজলভ্যও বটে। পেট ঠাণ্ডা রাখে হলুদ। শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও গড়ে তোলে হলুদ।

রসুন: হলুদের মতোই প্রায় প্রত্যেক রান্নাঘরেই রসুন সহজলভ্য। রসুন ছাড়া অনেক পদই রান্না করা সম্ভব নয়। এই রসুনেরই অনেক গুণ রয়েছে। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ রয়েছে রসুনের। ভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে রসুনের ভূমিকা অপরিহার্য।

আদা: শরীর গরম রাখতে চায়ের সঙ্গে অনেকেই আদার রস মিশিয়ে পান করেন। শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে আদা খুবই কার্যকর। ডেঙ্গুর বিরুদ্ধেও কাজ করে আদা। বমি বমি ভাব কমায় ও ঠাণ্ডা লাগা থেকে রক্ষা করে।

হজমশক্তি বাড়ায় বহেড়া

হজমশক্তি বাড়ায় বহেড়া

হজমশক্তি বাড়ায় বহেড়া

বহেড়া এক ধরনের ঔষধি ফল। বহেড়া ফল উপমহাদেশের প্রাচীনতম আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। বহেড়া বিশেষভাবে পরিশোধিত হয়ে এর ফল, বীজ ও বাকল মানুষের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ও চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। আসুন জেনে নেয়া যাক বহেড়া ফলের ঔষধিগুণগুলো-

হজমশক্তি বাড়াতে : বহেড়া হজমশক্তি বৃদ্ধিকারক। এ ফলের খোসা ভালো করে গুঁড়া করে নিন। পানির সঙ্গে এ গুঁড়া দিনে দু’বার খেয়ে যান। ক্ষুধামান্দা তাড়াতেও একই প্রণালী অনুসরণ করতে পারেন।

আমাশয় থেকে দূরে থাকতে : আমাশয়ে ভুগছেন? তাহলে প্রতিদিন সকালে বহেড়ার গুঁড়া মেশানো পানি খেয়ে যান। উপকার পাবেন।
হাঁপানি থেকে মুক্তি পেতে : বহেড়া বীজের শাঁস ২ ঘণ্টা অন্তর চিবিয়ে খেলে হাঁপানি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এ পদ্ধতি মেনে চলুন।
কৃমি নাশ করে : পেটে কৃমি হয়েছে? হাতের কাছে সমাধান হিসেবে বহেড়া রয়েছে।

ডায়রিয়া প্রতিকারে : ডায়রিয়া হলে বহেড়ার খোসা পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। অল্প মাত্রায় খেলে এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয় না। তবে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে খাওয়া উচিত।

অনিদ্রা রোগে : রাতের পর রাত নির্ঘুম কেটে যায়? এখন থেকে চমৎকার ঘুমের জন্য বহেড়া খেয়ে যান।

চুল পাকা প্রতিরোধে : ১০ গ্রাম পরিমাণ বহেড়ার ছাল পানি মিশিয়ে থেঁতো করে নিন। এ থেঁতলানো বস্তু এক কাপ পানিতে ছেঁকে নিন। এবার পানিটুকু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। 

শীতে সকালে নাস্তায় কি খাওয়া উচিত

শীতে সকালে নাস্তায় কি খাওয়া উচিতশীতে সকালে নাস্তায় কি খাওয়া উচিত?

ফাইল ছবি

দিনের শুরুতে একটি পরিপূর্ণ খাদ্য তালিকা আপনাকে দিতে পারে সারাদিন সুস্থ ও সতেজ থাকার নিশ্চয়তা। প্রতিদিন সকালে স্বাস্থ্যকর এবং ভারী নাস্তা খেলে মস্তিষ্ক পুরোদিনের জন্য তৈরি হয়ে যায় এবং সারাদিন শক্তি পাওয়া যায়।  সঙ্গে রাখুন টক দই, ডিম, কম তেলের সব্জি বা চিকেন স্যুপ।

অনেকেই শীতের শুরু থেকে ঠান্ডা লাগার সমস্যায় ভোগেন। তাদেরকে শীতকালের শুরুতে সতর্ক হতে হবে। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় বিশেষ কিছু পরিবর্তন করার দরকার নেই। তবে ঠান্ডা জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো। রাতে ঘুমের আগে এক গ্লাস গরম দুধ খুব উপকারি।

শীতকালে শরীর সুস্থ রাখতে সকালের নাস্তায় খেতে পারেন: 

চা
শীতের সকালে গ্রিন টি, তুলসি টি, অথবা আদা চা-এর উপকারিতা রয়েছে। এতে যেমন ক্লান্তি দূর হয় তেমনি শরীরও সতেজ থাকে।

ডিম

ডিম খেতে সবাই ভালবাসে। সিদ্ধ হোক বা পোচ প্রোটিন সমৃদ্ধ এই খাবার প্রতিদিন সকালের নাস্তায় রাখেন। ডিমে প্রোটিন ছাড়াও ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, ওমেগা-৩ রয়েছে।

মিক্সড ভেজিটেবল
মিক্সড ভেজিটেবলে প্রায় সব ধরনের ভিটামিন, মিনারেলস, ফাইবার থাকে যা বিভিন্ন রোগের সঙ্গে লড়াই করতে পারে। ত্বকের লাবণ্য ফিরে আনতেও এর জুড়ি মেলা ভার।

স্যুপ 
প্রতিদিন সকালে না হলেও শীতের দিনে যে কোনও একটা সময়ে স্যুপ খান। এতে শরীরে শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ঠান্ডা দূর করে এবং ত্বকের সৌন্দর্য বজায় রাখে। আবার শীতকালে গরম গরম স্যুপ খেতেও ভালো লাগে। 

মৌসুিম ফল
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মৌসুমি ফল অবশ্যই রাখুন। যাদের কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা আছে তারা কলা খেতে পারেন।

মধু
শীতকালে মধুর কোনও বিকল্প নেই। গলার খুসখুস কমানোর পাশাপাশি মধু ঠান্ডা দূর করে। সেই সাথে শরীর উষ্ণ রাখে মধু।

দুধ 
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দুধ অবশ্যই রাখুন। দুধে যে প্রোটিন থাকে তা শরীরের জন্য উপকারি।

কর্নফ্লেক্স
সকালের নাস্তায় মাঝে মধ্যে কর্নফ্লেক্স খান। তার মধ্যে ফল মিশিয়েও খেতে পারেন।

ওটস
ওটস খাওয়া শরীরের পক্ষে খুবই ভালো। ওটস অনেক ভাবেই খেতে পারেন। দুধ দিয়ে খিচুড়ি করে খেতে পারেন।

মাখন
সকালের ব্রেকফাস্টে অবশ্যই মাখন খান। মাখন দিয়ে হালকা টোস্ট করে খেতে পারেন।

কিভাবে ভালো থাকবে শ্রবণেন্দ্রিয়

কিভাবে ভালো থাকবে শ্রবণেন্দ্রিয়

কিভাবে ভালো থাকবে শ্রবণেন্দ্রিয়?

ফাইল ছবি

বর্তমান জীবনধারায় ছোট থেকে বড় সব বয়সীদের শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে ৪০ থেকে ৬০ বছর বয়সিদের মধ্যে কানে কম শোনার প্রবণতা বাড়ছে। আর কান খুঁচিয়ে নিজের হাতেই শ্রবণেন্দ্রিয়কে ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলছেন অনেকে।

কান খুঁচিয়ে কানের ইনফেকশন থেকে সাধারণত কান পাকা রোগের সৃষ্টি হয়। ছোটদের কানের ইনফেকশনের ঠিকমতো ও পর্যাপ্ত চিকিৎসা না হলে অথবা ঘন ঘন ইনফেকশন হতে থাকলে কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে। যদি এর সঙ্গে নাকের প্রদাহ অথবা ক্রনিক টনসিল ও এডেনয়েডের সমস্যা যোগ হয় তাহলে কানের পর্দা ফাটা ক্রনিক পর্যায়ে চলে যায়। 

কানে হেডফোন, রাস্তায় গাড়ির হর্ন, কারখানায় যন্ত্রপাতির আওয়াজ এসব প্রতিনিয়ত আঘাত করছে শ্রবণেন্দ্রিয়ে। তাই হেডফোন ব্যবহার করলে তার আওয়াজ যেন কম হয়। শব্দতরঙ্গ কানের মধ্যে অনেক স্তর ভেদ করে ইন্দ্রিয়তে পৌঁছায়৷ উচ্চ শব্দ, কানে পানি বা ময়লা যাওয়াসহ নানা সমস্যায় আমাদের শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।  

শ্রবণশক্তি ভালো রাখতে বিশেষজ্ঞরা বলেন-
•    মানসিক অবসাদ অনেক সময়ে শ্রবণশক্তি কমিয়ে দেয়। তাই মন ভালো রাখতে হবে 
•    শব্দদূষণ কানের পর্দায় আঘাত করে। খুব বেশি শব্দ এড়িয়ে চলতে হবে। টিভি চালানো বা গান শোনার সময় অবশ্যই শব্দ সহনীয় থাকতে হবে 
•    নিয়মিত কান পরিষ্কার করাও জরুরি 
•    আঙুল বা কটন বাডস দিয়ে খোঁচাখুঁচি করলে কানের ভেতরে প্রাচীরে আঘাত লাগতে পারে 
•    সংক্রমণও হতে পারে, কমে যেতে পারে শ্রবণশক্তি, যা মারাত্মক বিপজ্জনক  
•    দীর্ঘ সময় ফোনে কথা বলাও ঠিক না।  

এছাড়াও বছরে একবার কানের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নিন। কোনো সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।  

শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে আমলকি

শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে আমলকি

শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে আমলকি

ভেষজ গুণে অনন্য একটি ফল আমলকি। এর ফল ও পাতা দু'টিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও আমলকি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হয়।

আমলকিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলালেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।
 
চলুন জেনে নিই আমলকি খাওয়ার ১০টি উপকারিতা সম্পর্কে :

১. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।
২. আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।

৩. এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।

৪. আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার হজমে সাহায্য করে।

৫. প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

৬. আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। 

৭. প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকির টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।

৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী।

৯. শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকির আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।

১০. ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

ডায়াবেটিস-হাঁপানি নিরাময়ে কাজ করে করলা

ডায়াবেটিস-হাঁপানি নিরাময়ে কাজ করে করলা

ডায়াবেটিস-হাঁপানি নিরাময়ে কাজ করে করলা

মেদ ঝরানোর পাশাপাশি ক্যানসার, ডায়াবেটিস, হাঁপানির মতো রোগ নিরাময়ে করলার খুবই গুরুত্ব রয়েছে। 

বর্তমান প্রজন্মের একটা বড় অংশ ওবেসিটির শিকার। বিশেষজ্ঞদের মতে, করলার রস ফ্যাট সেলগুলো বার্ন করে এবং সেই জায়গায় নতুন ফ্যাট সেল তৈরি হতে বাধা দেয়। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও করলার রস খুব উপকারি।

করলার মধ্যে রয়েছে পলিপেপটাইড বি, ভিসিন এবং ক্যারাটিন। প্রতিদিনের ডায়েটে করলার জুস রাখলে উচ্চরক্তচাপ কমে। রক্তে শর্করার পরিমাণও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

হাঁপানি এবং ফুসফুসের যেকোনো রোগ প্রতিরোধ করে করলার জুস। নিয়মিত করলার জুস খেলে ত্বক অনেক টানটান এবং তরতাজা দেখায়। বলিরেখা দূর হয়।
করলার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। মধু মিশিয়ে করলার জুস খেলে হজম শক্তি বাড়ে। তাছাড়া এতে রয়েছে ফাইবার, যা পরিপাকতন্ত্রকে সক্রিয় রাখে।

শীতে সর্দিজ্বর থেকে দূরে থাকবেন যেভাবে

শীতে সর্দিজ্বর থেকে দূরে থাকবেন যেভাবে

শীতে সর্দিজ্বর থেকে দূরে থাকবেন যেভাবে

সর্দিজ্বর পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি হওয়া রোগগুলোর একটি। জ্বর হলে এমনকিছু খাওয়া উচিত যা শরীরে শক্তি যোগানোর পাশাপাশি জ্বর সারাতে সাহায্য করবে। 

ওষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাকমে'র সিনিয়র ম্যানেজার ও চিকিৎসক আফরোজা আখতার বলেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির বছরে ৪ থেকে ৬ বার এবং একটি শিশুর বছরে ১০ থেকে ১২ বার সর্দিজ্বর হওয়া স্বাভাবিক বিষয়। অর্থাৎ জীবদ্দশায় ২০০ বারের বেশি সর্দি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপেল, কমলালেবু, আঙুর, আনারস ইত্যদি ফলে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ রয়েছে। তাই জ্বরের সময় ফ্রুট সালাদ খাওয়া উচিত বেশি করে। দিনে দুইবার কমলালেবুর রস খেলে উপকার পাবেন।

যে কোনও নরম খাবার যেমন সবজি, ডিমসেদ্ধ, চিকেন ও ভেগেটেবলে স্যুপ ইত্যাদি খাবার হজম হতে সুবিধে হয়। এগুলি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। এছাড়াও আদার মতোই রসুনও সর্দিজ্বর নিরাময়ে খুবই কার্যকরী। এককাপ মতো পানিতে একটি কোয়া ফেলে ফুটিয়ে নিয়ে সেই কুসুম গরম পানি দিনে দুইবার খেলে জ্বর কমাতে সাহায্য করে।

জ্বরের সময় মাঝেমধ্যেই একটি-দুটি করে কিসমিস খাওয়া ভালো কারণ এতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। শরীরে এনার্জি সরবরাহ করে এই ড্রাই ফ্রুট। সর্দি-কাশি প্রতিরোধে পরিচিত টোটকা তুলসি-মধু। জ্বর হলে একটি-দু’টি পাতা চিবিয়ে খেলেও উপকার হবে।

যেভাবে সর্দিজ্বর থেকে দ্রুত আরোগ্য লাভ করা সম্ভব
খুব সামান্য কারণেই ঠান্ডা বা সর্দিজ্বরে আক্রান্ত হতে পারে যে কেউ। সাধারণত কয়েকদিনের মধ্যেই মানুষের সর্দিজ্বর ভালও হয়ে যায়। তবে কয়েকটি উপায়ে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত সময়ে সর্দিজ্বর ভাল করা সম্ভব বলে বলছেন চিকিৎসকরা।

ঘুম বা বিশ্রাম
ঘুম মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কাজেই ঠান্ডা বা সর্দিজ্বরের সময় বিশ্রাম নিলে বা বেশি ঘুমালে দ্রুত আরোগ্য লাভ সম্ভব।

উষ্ণ পরিবেশে থাকা
সর্দিজ্বরের সময় উষ্ণ পরিবেশে থাকা বা উষ্ণ পোশাক পড়ে থাকলে ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

প্রচুর পরিমাণ তরল পানীয় গ্রহণ করা
প্রচুর পরিমাণ পানি বা ফলের রস পানের মাধ্যমে পানিশূন্যতা রোধ করলে ঠান্ডা থেকে দ্রুত আরোগ্য লাভ করা যেতে পারে।

গলার যত্ন নিন
ঠান্ডার একটি সাধারণ উপসর্গ গলা ব্যাথা। লবণ পানি দিয়ে গার্গল করা অথবা লেবু এবং মধু দিয়ে হালকা গরম পানীয় তৈরি করে পান করলে গলা ব্যাথা দ্রুত উপশম হতে পারে।

বাঁধাকপি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টিউমার বৃদ্ধি রোধ করে

বাঁধাকপি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টিউমার বৃদ্ধি রোধ করে বাঁধাকপির ইংরেজি নাম Cabbage এবং বৈজ্ঞানিক নাম Brassica oleracea। বাঁধাকপি বিভিন্ন রঙের ...