Pages

Translate

Tuesday, November 16, 2021

বাঁধাকপি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টিউমার বৃদ্ধি রোধ করে

বাঁধাকপি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টিউমার বৃদ্ধি রোধ করে

বাঁধাকপি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টিউমার বৃদ্ধি রোধ করে

বাঁধাকপির ইংরেজি নাম Cabbage এবং বৈজ্ঞানিক নাম Brassica oleracea। বাঁধাকপি বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে যেমন- গাঢ় সবুজ, হালকা সবুজ, সাদা, লাল ও বেগুনী। বাঁধাকপি মূলত একটি শীতকালীন সবজি, যা পাতাকপি নামে বেশি প্রচলিত। 

বাঁধাকপি পেট ব্যথা এবং অন্ত্রের আলসার কমাতে সাহায্য করে। ইউএস ন্যাশনাল লাইব্রেরির সমীক্ষা অনুযায়ী পাকস্থলীর আলসারে যারা বাঁধাকপির রস পান করেন না তাদের তুলনায় গড়ে যারা বাঁধাকপির রস পান করেন তারা দ্রুত নিরাময় লাভ করেন। বাঁধাকপি বুক জ্বালা-পোড়া, পেট ফাঁপা ইত্যাদি সমস্যা দূর করে।

এক কাপ বা ৯০ গ্রাম বাঁধাকপিতে রয়েছে ২২ ক্যালরি শক্তি। প্রোটিন আছে ১ গ্রাম, ফাইবার ২ গ্রাম; আর প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সির ৫৪ শতাংশ, ভিটামিন কের ৮৫ শতাংশ, ফোলেটের ১০ শতাংশ, ম্যাঙ্গানিজের ৭ শতাংশ, ভিটামিন বি সিক্সের ৬ শতাংশ, ক্যালসিয়ামের ৪ শতাংশ, পটাশিয়ামের ৪ শতাংশ ও ম্যাগনেশিয়ামের ৩ শতাংশ মেলে।

একাধিক গবেষণায় জানা গেছে, বাঁধাকপি বিশেষ ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। এর সালফারসমৃদ্ধ উপাদান গ্লুকোসাইনোলেটস তৈরি হয় বাঁধাকপি থেকে, যা ক্যানসারের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। বাঁধাকপি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টিউমার বৃদ্ধি রোধ করে। এছাড়াও টাইপ টু ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায় বাঁধাকপি।

কিডনি সমস্যা প্রতিরোধে ও এ সমস্যায় আক্রান্তদের জন্য বাধাকপি আরেকটি অপরিহার্য সবজি। যারা কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে ডায়ালাইসিস করিয়ে থাকেন, চিকিৎসকরা তাদের কাঁচা বাঁধাকপি খাওয়ার পরামর্শ দেন। এতে প্রচুর পরিমান ভিটামিন সি রয়েছে যা দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

বাঁধাকপির রস খেলে ঘা/ফোঁড়া সেরে যায়। এর পাতা কাঁচা যদি আপনি রোজ ৫০ গ্রাম করে খেতে পারেন দাঁতের অন্য কোন সমস্যা থাকবে না। এতে আছে উচ্চ আঁশ জাতীয় উপাদান যা হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এটি বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ একটি সবজি যা চোখের সুরক্ষায় অত্যন্ত কার্যকরী।

বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমান ভিটামিন আছে যা চুল পরা সমস্যা রোধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট। এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস কোষকে সজীব রাখে, কোষের প্রদাহ দূর করে, ফোলা কমায়। এছাড়াও ক্যানসার, হার্টের অসুখ, ডায়বেটিস ও আলঝেইমার প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখে বলে মনে করা হয়।

দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে এত উপকার

দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে এত উপকার

দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে এত উপকার!

দুধের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সবাই কম-বেশি জানি। সব বয়সীদের জন্যই দুধ একটি উপকারী পানীয়। এটি আমাদের শরীরে শক্তি জোগায়। 

এদিকে রসুনে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। কাঁচা রসুন উচ্চ রক্তচাপ কমাতে দারুণভাবে সাহায্য করে। তাই দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

এছাড়া, দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া শ্বাসতন্ত্রকে ভালো রাখে। রাতে ঘুমানোর আগে দুধের মধ্যে রসুন দিয়ে খেলে স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো।
অ্যাজমা, কফ, নিউমোনিয়া সমস্যায়: যাদের অ্যাজমা, কফ, নিউমোনিয়ার সমস্যা রয়েছে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে দুধে রসুন মিশিয়ে খেলে সমস্যা দূর হয়।

কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে:
দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতেও সাহায্য করে।

জন্ডিসের প্রতিকার:
রসুন-দুধ জন্ডিসের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। জন্ডিসে আক্রান্ত হলে দুধের সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে উপকার মিলবে।

বাতের ব্যথা কমা:
গাঁটে গাঁটে ব্যথা অনেক কমিয়ে দেয় এই রসুন ও দুধ। এমনিতেই গরম দুধ ব্যথা কমায়, সেই সঙ্গে রসুন প্রদাহ থেকে রক্ষা করে। সব মিলিয়ে খুব ভালো উপকার পাওয়া যায়।

অনিদ্রার সমস্যা:
হাজার চেষ্টা করলেও রাতে ঠিক করে ঘুম হয় না। এক গ্লাস রসুন-দুধ খেয়ে নিন। সমস্যা দূর দয়ে যাবে। ঘুম আসবে সহজেই।

রক্ত স্বল্পতা হ্রাস করে কলার মোচা

রক্ত স্বল্পতা হ্রাস করে কলার মোচা

রক্ত স্বল্পতা হ্রাস করে কলার মোচা

কলাতে যেসব পুষ্টি উপাদান থাকে, তার সবই আছে কলার মোচায়। পাশাপাশি মোচাতে আরও থাকে মেন্থলের নির্যাস, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। বিশেষজ্ঞদের মতে, উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে মোচা।

অ্যান্টি ডিপ্রেশনের জন্য আলাদা করে কোনও ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। কলার মোচা প্রাকৃতিকভাবেই ডিপ্রেশন কাটাতে সাহায্য করবে। এতে আছে ম্যাগনেশিয়াম যা উদ্বেগ ও হতাশা কমায়। মন ভালো রাখার হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধি পায়।

এছাড়াও এটি ভিটামিন বি সিক্স, সি, ই, প্রোটিন ও আঁশ সমৃদ্ধ। কলার ফুল রজঃকালীন ব্যথা কমায় এবং প্রোজেস্টেরন উৎপাদন বৃদ্ধি করে রক্ত স্বল্পতা হ্রাস করে। কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফোলা ভাব এবং ‘পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম (পিসিওএস) নিয়ন্ত্রণে রাখে। 

কলার মোচায় আছে ফেনলিক অ্যাসিড এবং অন্যান্য ‘বায়োঅ্যাক্টিভ’, যা রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। কলার ফুল বা মোচায় রয়েছে প্রাকৃতিক ‘গ্যালাক্টাগাগ’ যা স্তন্যদানকারী মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি করে।

মোচায় রয়েছে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই কলার মোচা অকালে বৃদ্ধ হওয়া ও বয়সের ছাপ পড়া ধীর করে ও বলিরেখা কমায়। কলার মোচায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উন্মুক্ত ‘রেডিকল’য়ের বিরুদ্ধে কাজ করে। হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। 

নিয়মিত মোচা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। যারা মোচা খান, তারা ডায়াবেটিসের সমস্যায় কম ভোগেন। জীবনযাপনের নানা সমস্যার কারণে অনেকেই পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোমের সমস্যায় ভোগেন। মোচা এ সমস্যা আটকাতেও সাহায্য করে।

মোচার ফেনোলিক এসিড, ট্যানিনের মতো কিছু উপাদান ক্যান্সার প্রতিহত করতে সাহায্য করে।

নীরব ঘাতক হাড়ক্ষয়

নীরব ঘাতক হাড়ক্ষয়

নীরব ঘাতক হাড়ক্ষয়

হাড়ক্ষয় কী : হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়াকে হাড়ক্ষয় বলে। এতে হাড় ফাঁপা এবং ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। ফলে সামান্য আঘাতে বা বিনা আঘাতেই হাড় ভেঙে যায়। হাড়ক্ষয় রোগকে কাঠে ঘুণে (ঘুণ) ধারার সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে; পঞ্চাশোর্ধে প্রতি তিনজন নারীর একজন এবং প্রতি ৫ জন পুরুষের একজন হাড়ক্ষয় রোগে ভুগছেন। অথচ তারা জানেই না যে তাদের হাড়ক্ষয় রোগ আছে।

কিছু পরিসংখ্যান দিলে হাড়ক্ষয় রোগের ব্যাপকতা ও ভয়াবহতা সম্পর্কে ধারণা করা যাবে। বিশ্বে হাড়ক্ষয়ের কারণে প্রতিবছর প্রায় ৯০ লাখ মানুষের হাড় ভেঙে যায়, অর্থাৎ প্রতি ৩ সেকেন্ডে একজনের হাড় ভেঙে যাচ্ছে। পঞ্চাশোর্ধ নারী-পুরুষের হাড় ভাঙার ঝুঁকি ৪০%, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির সমান। নারীদের হাড়ক্ষয়জনিত কারণে হাড় ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা সম্মিলিতভাবে হার্টঅ্যাটাক, স্ট্রোক ও স্তন ক্যান্সারের চেয়েও বেশি (যোগফলের)।

আশ্চর্যের বিষয় যে শতকরা ৮০ জন মানুষই জানে না যে তার হাড়ক্ষয় আছে এবং হাড় ভেঙে গেছে, (বিশেষ করে মেরুদন্ডের হাড়) এবং তারা কেউই হাড়ক্ষয়ের চিকিৎসা গ্রহণ করেনি। একজন হাড়ক্ষয়ে আক্রান্ত ব্যক্তির মেরুদন্ডের হাড় ভেঙে গেলে তার মৃত্যুঝুঁকি ৮ গুণ বেড়ে যায়। আর উরু সন্ধির হাড় ভেঙে গেলে তাকে সাধারণত অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। যত আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা দেওয়া হোক না কেন উরুসন্ধির হাড় ভাঙার এক বছরের মধ্যে শতকরা ২৫ জন মৃত্যুবরণ করেন। যার সংখ্যা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণের কাছাকাছি এবং নারীদের ক্ষেত্রে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণের চেয়ে অনেক বেশি। এ কারণেই হাড়ক্ষয় রোগকে নীরব ঘাতক বলা হয়। হাড় ক্ষয়জনিত কারণে হাড় ভাঙার পর মৃত্যু ঝুঁকির পাশাপাশি যারা চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ওঠেন তাদের অনেকেই আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যেতে পারে না।

অনেককেই জীবনযাপনের জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়। নিয়মিত চিকিৎসা ও নার্সিং সেবা গ্রহণ করতে হয়। ফলে শারীরিক অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।

কেন হাড় ক্ষয় হয় : দুই ধরনের হাড়ক্ষয় রোগ:

প্রাইমারি : বয়স বৃদ্ধির কারণে- আমাদের শরীরে প্রতিনিয়ত হাড় তৈরি ও ক্ষয় হয়। প্রথম প্রায় ২০ বছর পর্যন্ত হাড় ক্ষয়ের তুলনায় হাড় বেশি তৈরি হওয়ার জন্যই আমাদের হাড় লম্বা ও মোটা হয় এবং হাড়ের ঘনত্ব বাড়তে থাকে। ২০ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত হাড় তৈরি ও ক্ষয় সমান সমান হয় বলে হাড় স্থিতি অবস্থায় থাকে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হাড় তৈরির চেয়ে ক্ষয় বেশি হওয়ায় হাড়ের ঘনত্ব কমতে থাকে। মেয়েদের শরীরে একটি বিশেষ হরমোন থাকে যার নাম ইস্ট্রোজেন। এটি নারীর সেকেন্ডারি যৌন বৈশিষ্ট্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং একই সঙ্গে মাসিকচক্রে কাজ করে। পাশাপাশি এই হরমোন হাড় হাড়ক্ষয়কারী কোষ অস্টিওক্লাস্টকে হাড় ক্ষয় করা থেকে নিবৃত্ত রাখে। ৪৫ বছর বয়সে এ হরমোন হঠাৎ করেই কমে যায় এবং নারীদের মাসিক বন্ধ হয়ে যায়। এই সময় ইস্ট্রোজেনের অভাবে হাড়ক্ষয়কারী কোষের কাজ বেড়ে গেলে হঠাৎ করেই হাড় তৈরির চেয়ে হাড় ক্ষয় বেড়ে যায় এবং হাড়ের ঘনত্ব কমে যায়। এটাকেই পোস্ট মেনোপজাল (মাসিক বন্ধ পরবর্তী) হাড়ক্ষয় বা অস্টিওপোরেসিস বলে। পাশাপাশি পুরুষের স্বাভাবিক গতিতেই ধীরে ধীরে হাড় ক্ষয় হতে থাকে এবং ৬৫-৭০ বছর বয়সে তাদেরও হাড়ক্ষয় বেড়ে যায়।

সেকেন্ডারি অস্টিওপোরেসিস : এছাড়া অনেক রোগ বা ত্রুটিপূর্ণ জীবনযাপন ও কিছু কিছু ওষুুধ ব্যবহারের কারণে যে হাড়ক্ষয় হয় সেটাই মূলত সেকেন্ডারি।

হাড়ক্ষয় রোগের কারণসমূহ: হাইপার থাইরয়েডিজম রোগ ও ওষুধ হাইপার প্যারাথাইরেডিজম, হাইপোগোনাডিজম ডায়াবেটিস, কুসিং বিনড্রোম, পরিপাকতন্ত্রের অসুখ, বাতজাতীয় রোগ, কিডনির রোগ ও বেশ কিছু ওষুধ।

কাদের ঝুঁকি বেশি :

অসংশোধনযোগ্য ঝুঁকি: ১. বয়স বৃদ্ধি-পঞ্চাশোর্ধ ২. স্ত্রী লিঙ্গ/নারী ৩. উত্তরাধিকার ৪. ৪৫ বছরের আগেই মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া ৫. অপারেশনের কারণে ডিম্বাশয় ফেলে দেওয়া ৬. অতি খর্বাকৃতি ৭. আগে হাড়ভাঙা ৮. যে কোনো কারণে দীর্ঘদিন শুয়ে বা বসে থাকা।

সংশোধনযোগ্য : ধূমপান, মদ্যপান কোমলপানীয় ও কফিপান, শরীরের ওজন কম হওয়া, স্বাস্থ্য খারাপ ও অনেকদিন শুয়ে/বসে থাকা।

উপসর্গ কি : হাড়ক্ষয় রোগের সাধারণত তেমন কোনো উপসর্গ থাকে না। কিছু কিছু কারণে আমরা অনুমান করতে পারি যে, হাড় ক্ষয় হতে পারে। যেমন উপরোক্ত উল্লেখিত ঝুঁকিসমূহ অবস্থা কি না। পূর্ব পুরুষ বা পরিবারে কারও হাড়ক্ষয় রোগ আছে কি না। যেসব রোগের কারণে সেকেন্ডারি হাড়ক্ষয় রোগ হতে পারে সেসব রোগ আছে কি না। যেসব ওষুধ সেবন করলে হাড় ক্ষয় হয় সেসব ওষুধ সেবন করে কি না। অনেক ক্ষেত্রে রোগী কোমর ব্যথা, মেরুদন্ড বাঁকা বা কুজো হয়ে যায়, উচ্চতা কমে যাওয়া এসব উপসর্গ থাকে। তবে বেশিরভাগ মানুষই হাড় ভেঙে যাওয়ার উপসর্গ নিয়ে আসে।

রোগ নির্ণয়ের জন্য কী করণীয় : উপসর্গ থাকুক বা না-ই থাকুক নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের DXA করে বি এমডির পরিমাপ করতে হবে। বিএমডি পরিমাপ করে হাড় ভাঙার ঝুঁকি নির্ণয় করা অত্যন্ত জরুরি।

কাদের বিএমডি পরীক্ষা করতে হবে : বাংলাদেশের জন্য-  ১. ষাটোর্ধ্ব সব মহিলা ও পঁয়ষট্টি ঊর্ধ্ব সব পুরুষেরই হাড় ক্ষয় নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষা করতে হবে।  ২. ৫০ বছর বয়সের পর হাড় ভেঙে গেলে ৩. মাসিক বন্ধ হওয়া নারীদের কোনো রিস্ক ফ্যাক্টর থাকলে ৪. পঞ্চাশোর্ধ পুরুষের রিস্ক ফ্যাক্টর থাকলে।

কীভাবে হাড়ক্ষয় রোগ প্রতিরোধ করা যায় :

চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি কথা আছে- প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। প্রতিরোধ শুরু করতে হবে শিশুকাল থেকেই। যাতে শিশুকাল থেকে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত আমাদের হাড়ের ঘনত্ব অনেক বেশি থাকে। তার জন্য আমাদের নিয়মিত সুষম খাবার খেতে হবে যাতে প্রতি কেজি ওজনের জন্য প্রতিদিন ১.২ গ্রাম প্রোটিন পরিমিত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি খেতে হবে।

১. ডি সমৃদ্ধ খাবার : প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি না পাওয়া গেলে সাপ্লিমেন্ট নিতে হবে ২. ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার করতে হবে। ৩. কোমলপানীয় ও কফি যতদূর সম্ভব পরিহার করা। ৪. প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা সম্ভব হলে খালি গাঁয়ে সূর্যালোকে থাকার চেষ্টা করা। ৫. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, লাফানো বা দৌড়ানোর ব্যায়াম করা। মাংপেশির ব্যায়াম করলে যেমন হাড়ক্ষয় রোধ করে তেমনি মাংপেশি সবল ও মজবুত করে, ফলে পড়ে যাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। ৬. বয়স্ক রোগীরা যাতে ঘরের মেঝেতে, সিঁড়িতে বা বাথরুমে পড়ে না যার ব্যবস্থা করতে হবে।

চিকিৎসা কি : ১. প্রতিরোধের জন্য যেসব কথা বলা হয়েছে তার সবই করতে হবে।

২. হাড় ভেঙে গেলে তার চিকিৎসা করতে হবে। ৩. বর্তমানে বাংলাদেশে হাড়ক্ষয় রোগীর অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তার যে কোনো একটি ওষুধ ব্যবহার করতে হবে।

৪. হাড়ক্ষয় প্রতিরোধ ও চিকিৎসার পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে। তাই অবহেলা না করে আমাদের সবাইকে এ বিষয়ে আরও যত্নবান ও সচেতন হতে হবে।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধের উপায়

ডায়াবেটিস প্রতিরোধের উপায়

ডায়াবেটিস প্রতিরোধের উপায়আজ ১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। ডায়াবেটিস নিরাময়ের চেয়ে প্রতিরোধ বেশি সহজ। ডায়াবেটিস রোগীদের অনেকেই জানেন না তারা ডায়বেটিসে ভুগছেন। এ জন্য পরীক্ষা করা খুবই জরুরি। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সমাজের সর্বস্তুরের মানুষের এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। কারণ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ না করলে ব্যক্তি আরও অনেক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ভোগার ঝুঁকি থাকে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধের উপায় :

স্থুলতা প্রতিরোধে নিয়মিত ব্যায়ামের বিকল্প নেই। এ জন্য প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করুন। হাঁটা ও সাঁতার কাটা খুবই ভালো ব্যায়াম। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যায়াম খুবই জরুরি। তবে কোনো শারিরীক জটিলতা থাকলে ব্যায়াম শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

শরীরে অতিরিক্ত ওজন থাকলে ওজন ঝেড়ে ফেলুন। তবে তা অবশ্যই স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে, বিশেষজ্ঞ ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ মেনে। 

পানি কম খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যসহ নানা ধরনের সমস্যায় ভুগতে পারেন। পানিই শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখে। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে  নিয়মিত পানি পান করুন।

শুধু ডায়াবেটিস প্রতিরোধেই নয়, সুস্থ থাকতে ধুমপান বন্ধ করুন। ধুমপানের কোনো ভালো দিক নেই। উল্টো এটি শ্বাসযন্ত্রের সমস্যাকে বাড়ি তোলে এবং নানা ধরনের শারিরীক জটিলতার সৃষ্টি করে।

আপনার শরীরের জন্য যতটুকু শর্করা প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই গ্রহণ করবেন। অতিরিক্ত শর্করা এড়িয়ে চলুন। পরিশোধিত শর্করাও খাদ্যতালিকা থেকে ছেঁটে ফেলুন। 

যেসব খাবার বাড়িয়ে দিতে পারে প্রস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি

যেসব খাবার বাড়িয়ে দিতে পারে প্রস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি

যেসব খাবার বাড়িয়ে দিতে পারে প্রস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি

পুরুষদের প্রস্টেট গ্রন্থির ক্যান্সারকেই প্রস্টেট ক্যান্সার বলে। পুরুষদের মধ্যে এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার হার অনেক বেশি। কিছু খাবারও বাড়িয়ে দিতে পারে ক্যানসারের মতো মারণ রোগের ঝুঁকি।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কোলিন (গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন) চলে গেলে প্রায় ৭০ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে প্রস্টেট ক্যানসারের আশঙ্কা। মাংস, মাছ, বাদাম, বীজজাতীয় খাবার, সবজি ও ডিমে কোলিন পাওয়া যায়। 

একটি ডিমে ১৫০ মিলিগ্রামের কাছাকাছি কোলিন থাকে। এ দিকে গবেষণা বলছে, সারা দিনে শরীরে ৪৫০ মিলিগ্রামের বেশি কোলিন প্রবেশ করলে তা বিপজ্জনক। তার মানে দিনে একটি ডিম খেলেই দৈনন্দিন কোলিনের প্রয়োজনীয়তা অনেকটা মিটে যায়। এর পর দুধ, মাংসের মতো খাবার খাওয়া হলে মাত্রা ছাড়াতে সময় লাগে না। 

কলার যত গুণ

কলার যত গুণ

কলার যত গুণ

দাঁতের যত্নে কলার খোসার উপকারিতা চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের কাছে পরীক্ষিত সত্য। পটাসিয়ামে ভরপুর কলা খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি এর পুষ্টিগুণও অনেক বেশি। তবে এর চেয়েও বড় উপকার করে কলার খোসা। আপনার দাঁতকে আরও সাদা করে তুলতে পারে কলার খোসা।

চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি দুই মিনিট ধরে কলার খোসা দাঁতের ওপর ঘসে তবে এটি দাঁতের ওপরে থাকা ময়লা দাগ দূর করে দাঁতকে সাদা করে তুলবে। মিনারেল ও ভিটামিনে ভরপুর কলার খোসা দাঁতের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত যা দাঁতকে সাদা ঝকঝকে করে তুলতে পারে। আর অন্য কোনো উপায়ে আপনার দাঁতকে উজ্জ্বল করতে চাইলে আপনাকে খরচ করতে হবে বিপুল পরিমাণ অর্থ।

কিন্তু প্রাকৃতিক ভাবে দাঁতকে সুন্দর করতে চাইলে প্রথমে কলার খোসা দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন, তারপর ব্রাশ করুন। আর এর জন্য আপনাকে এক টুকরা কলার খোসা নিয়ে দাঁতের চারপাশে ২ মিনিট ধরে ঘসতে হবে। আর মাত্র ১৪ দিন এভাবে চেষ্টা করলেই, আপনি পেয়ে যাবেন অতি সুন্দর ঝকঝকে দাঁত, যেমনটি আপনি জন্মের পর পেয়েছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের কলোরোডা অঙ্গরাজ্যের দাঁতের এক ডাক্তার ড্যারেন নিজের ওপর এ পরীক্ষা চালান এবং মাত্র ১৪ দিনেই তিনি এর ফল পান। স্বাভাবিক নিয়মে আপনি দাঁত মাজতে পারেন নতুবা কলার খোসাকে ব্রাশ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। কলার খোসাতে থাকা পটাসিয়াম দাঁতের ওপেন্ডের থাকা ময়লা দূর করে দাঁতকে মজবুত করে তোলে।

এজন্য আপনাকে যা যা করতে হবে : 

ক. একটি কলার খোসার টুকরা নিন, তারপর দাঁতের চারপাশে আস্তে আস্তে ২ মিনিট ঘষুন। যা আপনার দাঁতকে সাদা করে তুলবে।

খ. রাতে ঘুমানোর আগে একইভাবে কলার খোসা দিয়ে দাঁত মাজুন। এভাবে কিছুদিন করলেই আপনার দাঁতে জমা পাথর সরে যাবে।

গ. দিনে দু’বার মাজলে আপনার দাঁত হয়ে উঠবে আরও সুন্দর ও উজ্জ্বল।

যে পাঁচ খাবারে রয়েছে শক্তিশালী ইমিউনিটির রহস্য

যে পাঁচ খাবারে রয়েছে শক্তিশালী ইমিউনিটির রহস্য

যে পাঁচ খাবারে রয়েছে শক্তিশালী ইমিউনিটির রহস্য

ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অনেকের সিজনাল সর্দি-কাশি ও জ্বরের প্রকোপ দেখা দেয়। তাই এ সময়ে শরীরের প্রতি একটু বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। মশাবাহিত রোগ আটকাতে যেমন জল বা ময়লা না জমানো গুরুত্বপূর্ণ তেমনই প্রাত্যহিক জীবনে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন আনা দরকার।

প্রতিদিনের খাবারে এই খাবারগুলো রাখলে ভাইরাসের বিরুদ্ধে সহজেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সেগুলো হলো-

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ টকজাতীয় ফল: ভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ টকজাতীয় ফল ডায়েটে রাখা আবশ্যিক। রক্তে শ্বেতকণিকার পরিমাণ বাড়িয়ে অনাক্রম্যতা বাড়ায় ভিটামিন সি। প্রতিদিন অন্তত একটি করে টকজাতীয় ফল খেলে ভাল। যেমন কমলালেবু, মুসাম্বি, নাসপাতি। এই ফলগুলোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও থাকে।

টকদই: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে টকদইয়ের জুড়ি মেলা ভার। শুধু তাই নয়, নিয়মিত টকদই খেলে ভালো ঘুম ও হজমশক্তিও বৃদ্ধি পায়।

হলুদ: হলুদের ওষধিগুণ অনেক। শুধু তাই নয়, এটি খুব সহজলভ্যও বটে। পেট ঠাণ্ডা রাখে হলুদ। শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও গড়ে তোলে হলুদ।

রসুন: হলুদের মতোই প্রায় প্রত্যেক রান্নাঘরেই রসুন সহজলভ্য। রসুন ছাড়া অনেক পদই রান্না করা সম্ভব নয়। এই রসুনেরই অনেক গুণ রয়েছে। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ রয়েছে রসুনের। ভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে রসুনের ভূমিকা অপরিহার্য।

আদা: শরীর গরম রাখতে চায়ের সঙ্গে অনেকেই আদার রস মিশিয়ে পান করেন। শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে আদা খুবই কার্যকর। ডেঙ্গুর বিরুদ্ধেও কাজ করে আদা। বমি বমি ভাব কমায় ও ঠাণ্ডা লাগা থেকে রক্ষা করে।

হজমশক্তি বাড়ায় বহেড়া

হজমশক্তি বাড়ায় বহেড়া

হজমশক্তি বাড়ায় বহেড়া

বহেড়া এক ধরনের ঔষধি ফল। বহেড়া ফল উপমহাদেশের প্রাচীনতম আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। বহেড়া বিশেষভাবে পরিশোধিত হয়ে এর ফল, বীজ ও বাকল মানুষের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ও চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। আসুন জেনে নেয়া যাক বহেড়া ফলের ঔষধিগুণগুলো-

হজমশক্তি বাড়াতে : বহেড়া হজমশক্তি বৃদ্ধিকারক। এ ফলের খোসা ভালো করে গুঁড়া করে নিন। পানির সঙ্গে এ গুঁড়া দিনে দু’বার খেয়ে যান। ক্ষুধামান্দা তাড়াতেও একই প্রণালী অনুসরণ করতে পারেন।

আমাশয় থেকে দূরে থাকতে : আমাশয়ে ভুগছেন? তাহলে প্রতিদিন সকালে বহেড়ার গুঁড়া মেশানো পানি খেয়ে যান। উপকার পাবেন।
হাঁপানি থেকে মুক্তি পেতে : বহেড়া বীজের শাঁস ২ ঘণ্টা অন্তর চিবিয়ে খেলে হাঁপানি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এ পদ্ধতি মেনে চলুন।
কৃমি নাশ করে : পেটে কৃমি হয়েছে? হাতের কাছে সমাধান হিসেবে বহেড়া রয়েছে।

ডায়রিয়া প্রতিকারে : ডায়রিয়া হলে বহেড়ার খোসা পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। অল্প মাত্রায় খেলে এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয় না। তবে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে খাওয়া উচিত।

অনিদ্রা রোগে : রাতের পর রাত নির্ঘুম কেটে যায়? এখন থেকে চমৎকার ঘুমের জন্য বহেড়া খেয়ে যান।

চুল পাকা প্রতিরোধে : ১০ গ্রাম পরিমাণ বহেড়ার ছাল পানি মিশিয়ে থেঁতো করে নিন। এ থেঁতলানো বস্তু এক কাপ পানিতে ছেঁকে নিন। এবার পানিটুকু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। 

শীতে সকালে নাস্তায় কি খাওয়া উচিত

শীতে সকালে নাস্তায় কি খাওয়া উচিতশীতে সকালে নাস্তায় কি খাওয়া উচিত?

ফাইল ছবি

দিনের শুরুতে একটি পরিপূর্ণ খাদ্য তালিকা আপনাকে দিতে পারে সারাদিন সুস্থ ও সতেজ থাকার নিশ্চয়তা। প্রতিদিন সকালে স্বাস্থ্যকর এবং ভারী নাস্তা খেলে মস্তিষ্ক পুরোদিনের জন্য তৈরি হয়ে যায় এবং সারাদিন শক্তি পাওয়া যায়।  সঙ্গে রাখুন টক দই, ডিম, কম তেলের সব্জি বা চিকেন স্যুপ।

অনেকেই শীতের শুরু থেকে ঠান্ডা লাগার সমস্যায় ভোগেন। তাদেরকে শীতকালের শুরুতে সতর্ক হতে হবে। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় বিশেষ কিছু পরিবর্তন করার দরকার নেই। তবে ঠান্ডা জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো। রাতে ঘুমের আগে এক গ্লাস গরম দুধ খুব উপকারি।

শীতকালে শরীর সুস্থ রাখতে সকালের নাস্তায় খেতে পারেন: 

চা
শীতের সকালে গ্রিন টি, তুলসি টি, অথবা আদা চা-এর উপকারিতা রয়েছে। এতে যেমন ক্লান্তি দূর হয় তেমনি শরীরও সতেজ থাকে।

ডিম

ডিম খেতে সবাই ভালবাসে। সিদ্ধ হোক বা পোচ প্রোটিন সমৃদ্ধ এই খাবার প্রতিদিন সকালের নাস্তায় রাখেন। ডিমে প্রোটিন ছাড়াও ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, ওমেগা-৩ রয়েছে।

মিক্সড ভেজিটেবল
মিক্সড ভেজিটেবলে প্রায় সব ধরনের ভিটামিন, মিনারেলস, ফাইবার থাকে যা বিভিন্ন রোগের সঙ্গে লড়াই করতে পারে। ত্বকের লাবণ্য ফিরে আনতেও এর জুড়ি মেলা ভার।

স্যুপ 
প্রতিদিন সকালে না হলেও শীতের দিনে যে কোনও একটা সময়ে স্যুপ খান। এতে শরীরে শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ঠান্ডা দূর করে এবং ত্বকের সৌন্দর্য বজায় রাখে। আবার শীতকালে গরম গরম স্যুপ খেতেও ভালো লাগে। 

মৌসুিম ফল
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মৌসুমি ফল অবশ্যই রাখুন। যাদের কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা আছে তারা কলা খেতে পারেন।

মধু
শীতকালে মধুর কোনও বিকল্প নেই। গলার খুসখুস কমানোর পাশাপাশি মধু ঠান্ডা দূর করে। সেই সাথে শরীর উষ্ণ রাখে মধু।

দুধ 
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দুধ অবশ্যই রাখুন। দুধে যে প্রোটিন থাকে তা শরীরের জন্য উপকারি।

কর্নফ্লেক্স
সকালের নাস্তায় মাঝে মধ্যে কর্নফ্লেক্স খান। তার মধ্যে ফল মিশিয়েও খেতে পারেন।

ওটস
ওটস খাওয়া শরীরের পক্ষে খুবই ভালো। ওটস অনেক ভাবেই খেতে পারেন। দুধ দিয়ে খিচুড়ি করে খেতে পারেন।

মাখন
সকালের ব্রেকফাস্টে অবশ্যই মাখন খান। মাখন দিয়ে হালকা টোস্ট করে খেতে পারেন।

কিভাবে ভালো থাকবে শ্রবণেন্দ্রিয়

কিভাবে ভালো থাকবে শ্রবণেন্দ্রিয়

কিভাবে ভালো থাকবে শ্রবণেন্দ্রিয়?

ফাইল ছবি

বর্তমান জীবনধারায় ছোট থেকে বড় সব বয়সীদের শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে ৪০ থেকে ৬০ বছর বয়সিদের মধ্যে কানে কম শোনার প্রবণতা বাড়ছে। আর কান খুঁচিয়ে নিজের হাতেই শ্রবণেন্দ্রিয়কে ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলছেন অনেকে।

কান খুঁচিয়ে কানের ইনফেকশন থেকে সাধারণত কান পাকা রোগের সৃষ্টি হয়। ছোটদের কানের ইনফেকশনের ঠিকমতো ও পর্যাপ্ত চিকিৎসা না হলে অথবা ঘন ঘন ইনফেকশন হতে থাকলে কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে। যদি এর সঙ্গে নাকের প্রদাহ অথবা ক্রনিক টনসিল ও এডেনয়েডের সমস্যা যোগ হয় তাহলে কানের পর্দা ফাটা ক্রনিক পর্যায়ে চলে যায়। 

কানে হেডফোন, রাস্তায় গাড়ির হর্ন, কারখানায় যন্ত্রপাতির আওয়াজ এসব প্রতিনিয়ত আঘাত করছে শ্রবণেন্দ্রিয়ে। তাই হেডফোন ব্যবহার করলে তার আওয়াজ যেন কম হয়। শব্দতরঙ্গ কানের মধ্যে অনেক স্তর ভেদ করে ইন্দ্রিয়তে পৌঁছায়৷ উচ্চ শব্দ, কানে পানি বা ময়লা যাওয়াসহ নানা সমস্যায় আমাদের শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।  

শ্রবণশক্তি ভালো রাখতে বিশেষজ্ঞরা বলেন-
•    মানসিক অবসাদ অনেক সময়ে শ্রবণশক্তি কমিয়ে দেয়। তাই মন ভালো রাখতে হবে 
•    শব্দদূষণ কানের পর্দায় আঘাত করে। খুব বেশি শব্দ এড়িয়ে চলতে হবে। টিভি চালানো বা গান শোনার সময় অবশ্যই শব্দ সহনীয় থাকতে হবে 
•    নিয়মিত কান পরিষ্কার করাও জরুরি 
•    আঙুল বা কটন বাডস দিয়ে খোঁচাখুঁচি করলে কানের ভেতরে প্রাচীরে আঘাত লাগতে পারে 
•    সংক্রমণও হতে পারে, কমে যেতে পারে শ্রবণশক্তি, যা মারাত্মক বিপজ্জনক  
•    দীর্ঘ সময় ফোনে কথা বলাও ঠিক না।  

এছাড়াও বছরে একবার কানের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নিন। কোনো সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।  

শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে আমলকি

শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে আমলকি

শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে আমলকি

ভেষজ গুণে অনন্য একটি ফল আমলকি। এর ফল ও পাতা দু'টিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও আমলকি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হয়।

আমলকিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলালেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।
 
চলুন জেনে নিই আমলকি খাওয়ার ১০টি উপকারিতা সম্পর্কে :

১. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।
২. আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।

৩. এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।

৪. আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার হজমে সাহায্য করে।

৫. প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

৬. আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। 

৭. প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকির টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।

৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী।

৯. শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকির আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।

১০. ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

ডায়াবেটিস-হাঁপানি নিরাময়ে কাজ করে করলা

ডায়াবেটিস-হাঁপানি নিরাময়ে কাজ করে করলা

ডায়াবেটিস-হাঁপানি নিরাময়ে কাজ করে করলা

মেদ ঝরানোর পাশাপাশি ক্যানসার, ডায়াবেটিস, হাঁপানির মতো রোগ নিরাময়ে করলার খুবই গুরুত্ব রয়েছে। 

বর্তমান প্রজন্মের একটা বড় অংশ ওবেসিটির শিকার। বিশেষজ্ঞদের মতে, করলার রস ফ্যাট সেলগুলো বার্ন করে এবং সেই জায়গায় নতুন ফ্যাট সেল তৈরি হতে বাধা দেয়। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও করলার রস খুব উপকারি।

করলার মধ্যে রয়েছে পলিপেপটাইড বি, ভিসিন এবং ক্যারাটিন। প্রতিদিনের ডায়েটে করলার জুস রাখলে উচ্চরক্তচাপ কমে। রক্তে শর্করার পরিমাণও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

হাঁপানি এবং ফুসফুসের যেকোনো রোগ প্রতিরোধ করে করলার জুস। নিয়মিত করলার জুস খেলে ত্বক অনেক টানটান এবং তরতাজা দেখায়। বলিরেখা দূর হয়।
করলার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। মধু মিশিয়ে করলার জুস খেলে হজম শক্তি বাড়ে। তাছাড়া এতে রয়েছে ফাইবার, যা পরিপাকতন্ত্রকে সক্রিয় রাখে।

শীতে সর্দিজ্বর থেকে দূরে থাকবেন যেভাবে

শীতে সর্দিজ্বর থেকে দূরে থাকবেন যেভাবে

শীতে সর্দিজ্বর থেকে দূরে থাকবেন যেভাবে

সর্দিজ্বর পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি হওয়া রোগগুলোর একটি। জ্বর হলে এমনকিছু খাওয়া উচিত যা শরীরে শক্তি যোগানোর পাশাপাশি জ্বর সারাতে সাহায্য করবে। 

ওষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাকমে'র সিনিয়র ম্যানেজার ও চিকিৎসক আফরোজা আখতার বলেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির বছরে ৪ থেকে ৬ বার এবং একটি শিশুর বছরে ১০ থেকে ১২ বার সর্দিজ্বর হওয়া স্বাভাবিক বিষয়। অর্থাৎ জীবদ্দশায় ২০০ বারের বেশি সর্দি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপেল, কমলালেবু, আঙুর, আনারস ইত্যদি ফলে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ রয়েছে। তাই জ্বরের সময় ফ্রুট সালাদ খাওয়া উচিত বেশি করে। দিনে দুইবার কমলালেবুর রস খেলে উপকার পাবেন।

যে কোনও নরম খাবার যেমন সবজি, ডিমসেদ্ধ, চিকেন ও ভেগেটেবলে স্যুপ ইত্যাদি খাবার হজম হতে সুবিধে হয়। এগুলি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। এছাড়াও আদার মতোই রসুনও সর্দিজ্বর নিরাময়ে খুবই কার্যকরী। এককাপ মতো পানিতে একটি কোয়া ফেলে ফুটিয়ে নিয়ে সেই কুসুম গরম পানি দিনে দুইবার খেলে জ্বর কমাতে সাহায্য করে।

জ্বরের সময় মাঝেমধ্যেই একটি-দুটি করে কিসমিস খাওয়া ভালো কারণ এতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। শরীরে এনার্জি সরবরাহ করে এই ড্রাই ফ্রুট। সর্দি-কাশি প্রতিরোধে পরিচিত টোটকা তুলসি-মধু। জ্বর হলে একটি-দু’টি পাতা চিবিয়ে খেলেও উপকার হবে।

যেভাবে সর্দিজ্বর থেকে দ্রুত আরোগ্য লাভ করা সম্ভব
খুব সামান্য কারণেই ঠান্ডা বা সর্দিজ্বরে আক্রান্ত হতে পারে যে কেউ। সাধারণত কয়েকদিনের মধ্যেই মানুষের সর্দিজ্বর ভালও হয়ে যায়। তবে কয়েকটি উপায়ে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত সময়ে সর্দিজ্বর ভাল করা সম্ভব বলে বলছেন চিকিৎসকরা।

ঘুম বা বিশ্রাম
ঘুম মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কাজেই ঠান্ডা বা সর্দিজ্বরের সময় বিশ্রাম নিলে বা বেশি ঘুমালে দ্রুত আরোগ্য লাভ সম্ভব।

উষ্ণ পরিবেশে থাকা
সর্দিজ্বরের সময় উষ্ণ পরিবেশে থাকা বা উষ্ণ পোশাক পড়ে থাকলে ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

প্রচুর পরিমাণ তরল পানীয় গ্রহণ করা
প্রচুর পরিমাণ পানি বা ফলের রস পানের মাধ্যমে পানিশূন্যতা রোধ করলে ঠান্ডা থেকে দ্রুত আরোগ্য লাভ করা যেতে পারে।

গলার যত্ন নিন
ঠান্ডার একটি সাধারণ উপসর্গ গলা ব্যাথা। লবণ পানি দিয়ে গার্গল করা অথবা লেবু এবং মধু দিয়ে হালকা গরম পানীয় তৈরি করে পান করলে গলা ব্যাথা দ্রুত উপশম হতে পারে।

Tuesday, November 9, 2021

Cardamom removes bad breath

 Cardamom removes bad breath

Cardamom removes bad breath

Cardamom is a spice that helps in relieving various ailments including cold and sore throat. In addition to being used in cooking, cardamom has some additional benefits. It is also used by many as a natural mouth freshener. Let's take a look at some of the incredible benefits of cardamom.


Cardamom relieves stomach problems and reduces flatulence, as cardamom is naturally effective as an anesthetic. It helps in digestion and increases the flow of petals. It is also difficult to find an alternative to cardamom to remove harmful toxins from the body.


Cardamom is able to act as a mouth freshener to remove odors. Cardamom kills bad breath causing bacteria, so there is no bad breath. So if you have bad breath, suck cardamom and eat it. You see, the stench is gone.

Sbasaprasbasajanita problem
cardamom sassafras bajaj Anita excelled in the fight against the problem. Cardamom plays a very effective role in various problems like whooping cough, lung infections, asthma.

The
diuretic ingredient in cardamom reduces the risk of high blood pressure. Cardamom basically does this by removing excess fluid from the body. Another important function of cardamom is to eliminate the problem of blood clots in the blood vessels. Eating cardamom every day keeps blood concentration normal.

Kidney problems and
kidney problems to remove the cardamom works very well. Cardamom stimulates urination and helps in lowering blood pressure. It also helps to remove calcium and urea from the kidneys. Regular consumption of cardamom cures various kidney problems, bladder problems, kidney stones, nephritis, burning or pain during urination, and frequent urination.

How to take care of the skin before winter?

How to take care of the skin before winter

How to take care of the skin before winter?

Before the onset of winter, the skin becomes dry and dull. And for this dry and dull look, extra care is needed at this time. Oil-based moisturizers should be applied to the skin before the onset of winter. At the same time, night cream is also oil based. Because oil based creams can moisturize the skin in the same way that water based ones cannot. 

Use of sunscreen:

Many feel that the need to use sunscreen has diminished with the onset of winter. Even in winter, use sunscreen with SPF 15-30 30 minutes before going out. In winter, give a splash of water on the face from time to time to keep the skin moist.

Face pack:

Winter face packs will be a little different from other times. Because at this time extra skin care is needed. Learn how to make two face packs for winter skin care.

Soak a piece of bread in milk, soften it and mix it with some ripe banana paste. Then mix sandal powder and apply the mixture on the face. After 15 minutes, wash your face with water. With regular use, dry skin becomes soft.

Take care of the hands:
The more people sweat with the skin of the face, the more no one cares about the skin of the hands. But the skin of the hand also becomes much rougher in winter. We don't get so cold here that we need to wear gloves. But you need to apply moisturizer well on your hands. 

It is very important to keep hydrated:
Many people do not want to drink water in winter. For the skin, it is necessary to drink more water to keep the whole body healthy. Lack of water in the body causes many other problems including skin.

Foot care:
Wearing socks in winter is not an option. You can massage your feet with something like petroleum jelly or glycerin. Exfoliate once a week to remove dead skin cells. You can do a little exercise every night when you go to bed. 

Things to do during peeling:
It is best not to use any hard mask or alcohol based toner during this time. Use a clay based mask or pill instead.

Not taking a bath in hot water:
Many people pour hot water in the name of taking hot bath. But if too much hot water is applied, there is a possibility of reversal.

Seek the advice of a dermatologist:
Many people suffer from rough skin problems in winter. In some cases, the skin becomes dry and bloody again. In that case, consult a dermatologist without delay. 

How to get rid of dry cough

How to get rid of dry cough

How to get rid of dry cough

If you are infected with corona, you will have a dry cough for a long time. Her partner again has a sore throat, irritation. If such a cough lasts for a long time, the inside of the mouth also feels dry. It is difficult to swallow food. Here are some tips to help you get rid of dry cough.


Whether the honey is sore or itchy, honey will give some relief. It has the ability to fight bacteria and fungi. And there are many anti-oxidants. Put two teaspoons of honey in hot water and eat it twice a day. The throat will get a lot of comforts.
 
Ginger
works to cure many ailments. Especially effective for any type of infectious disease. If the cough does not subside, you can eat it with ginger tea at home more than once a day. The throat will relax. A little ginger tea can be kept with other meals. It is convenient to swallow food.

Salt-water
Gargling can be done occasionally by adding salt to hot water. Salt helps to get rid of germs. Salt can fight germs that have entered the body due to infection. Gargling salt water does not immediately reduce the cough. But if you stretch it for two or three days, your throat will get much better.

How to look less than 10 years old?

How to look less than 10 years old?

How to look less than 10 years old?

File picture

The key to maintaining youthful vigor is a healthy, unadulterated body. We also have to pay attention to the clothes. Wear brightly colored clothes of course the right size. Set the haircut to match the look. 

Stay in the sun for a while in the morning to get a healthy long life and retain youth. Sunlight contains vitamin D which strengthens the bones, reduces stress and makes the skin look younger. However, try to avoid the hot sun. Use SPF 30 sunscreen half an hour before going out in the sun. Keep an umbrella, hat or scarf with you. 

Excess body weight makes people age very quickly. It even lowers self-confidence. It is possible to retain youth by losing excess weight through regular exercise and diet control. There is no alternative to walking. Walk at least half an hour every day. It will control heart disease, diabetes, cholesterol, blood pressure problems. 

Use honey and yogurt packs to keep skin moist. Drink three to four liters of water every day. If the stomach is clean, the body stays healthy and the skin also gets shiny. Eat more fresh vegetables and fruits. Include at least one seasonal fruit in your daily diet. The fruit contains fiber, vitamins and antioxidants, which nourish the body and boost immunity.

There is no substitute for adequate sleep. As a result of sleep, hormones are transmitted to the cells, ink does not fall under the eyes. 

Never skip breakfast just to lose weight or just not wanting to. This causes noise in the body's metabolism system. 

Sweet foods should be avoided as much as possible to retain youth. Foods like chocolate, pastries, brownies, ice cream are rich in carbohydrates and fats which increase diabetes and cholesterol in the body. However, even if the sugar is low, eat regularly. This will keep the energy level of the body right. 

Behera increases digestion

Behera increases digestion

Behera increases digestion Behera is a kind of medicinal fruit. Behera fruit has been used as the oldest ayurvedic medicine in the subcontinent. Behera is specially refined and its fruits, seeds, and bark are used in the prevention and treatment of various human diseases. Let's find out the medicinal properties of Behera fruit-

To increase digestion: Behera enhances digestion. Peel a squash, grate it and squeeze the juice. Eat this powder twice a day with water. You can follow the same procedure to get rid of hunger pangs.

Stay away from diarrhea: Suffering from diarrhea? Then drink water mixed with Behera powder every morning. Will benefit.
To get rid of asthma: Asthma can be relieved by chewing the shells of Behera seeds every 2 hours. However, follow this procedure as advised by the doctor.
Destroys worms: Worms in the stomach? Behera is at hand as a solution.

Remedy for diarrhea: In case of diarrhea, you can take it mixed with water. Playing in small doses does not cause any side effects. However, the doctor's advice should be followed.

Insomnia: Sleepless nights? From now on, eat Behera for a good night's sleep.

To prevent hair maturation: Mix 10 gms of Behera bark with water and crush it. Strain the crushed object into a cup of water. Now wash your hair with Panituku. 

Why is pre-marital counseling important before marriage?

Why is pre-marital counseling important before marriage?

Why is pre-marital counseling important before marriage?

Experts nowadays suggest pre-marital counseling to understand each other's compatibility before marriage. Pre-marital counseling provides an opportunity to adapt more closely to each other's habits and habits. Pre-marital counseling also helps to reduce misunderstandings.

Find out why pre-marital counseling is so important before marriage: 

Marriage brings many changes in life. One of which is that whatever is desired cannot be done. You have to think about many things and make a decision. It is difficult for many to share everything with another person.

It is difficult to cope with this change without patience. Through pre-marital counseling, you become more intimately acquainted with each other's habits and habits, making it easier to adapt.

What you have said so far, the whole family has given priority to it. But after marriage, you have to listen to your partner, you have to create the mentality of listening to everyone in his family. If you do a counseling session, you will understand that the work is not difficult at all.

There can be many complications in a relationship. Counseling before marriage can help prevent these complications. Problems are also easy to solve. And even if it is a marriage of their choice, it is not possible to get to know each other completely after marriage until they start living under one roof all the time.  

Counseling gives you an idea of ​​how the family will fare, who will carry out the responsibilities, and what will happen if one of the partners moves to another city for professional reasons. As a result, both of them will be confident before getting married.

বাঁধাকপি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টিউমার বৃদ্ধি রোধ করে

বাঁধাকপি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টিউমার বৃদ্ধি রোধ করে বাঁধাকপির ইংরেজি নাম Cabbage এবং বৈজ্ঞানিক নাম Brassica oleracea। বাঁধাকপি বিভিন্ন রঙের ...